এটা বিশ্বাস করতে মুশকিল হয় যে পৃথিবীতে এমন কিছু ব্যক্তি আছেন যারা একসময় দু’বেলা দুমুঠো খাবার জোগাড় করতে পারত না া যাদের মধ্যে অনেকে কেবল গরীবই ছিল না তাদের অনেকের থাকার জায়গা পর্যন্ত ছিল না া একসময় খাবার জোগাড় করার জন্য সংঘর্ষ করেছেন অ্যাপেলের কো-ফাউন্ডার স্টীভজব থেকে শুরু করে ছোট বেলায় চা-বেচা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রমোদী পর্যন্ত আমরা এমন সব সফল ব্যক্তি সম্ব্ন্ধে জানব যারা এক সময় খুবই গরীর ছিলেন

স্টীভ জব ( STEVE JOBS )
জ্যাক মা (JACK MA)
স্টীভ জব ( STEVE JOBS )
কম্পিউটার ল্যাপটপ আর মোবাইল ফোন তৈরীর স্টীভ জব জীবনে সংঘর্ষ করে এই জায়গায় পৌছায় ক্যালির্ফোনিয়ার সানফ্লোরেন্সে জন্ম গ্রহণ করেন া তিনি ক্যালির্ফোনিয়াতেই পড়াশুনা করেন া সেই সময় তার কাছে তেমন পয়সা ছিল না া তাঁর এই অর্থিক দুর্দশা দূর করার জন্য তিনি গরমের ছুটিতে কাজ করতেন া ১৯৭২ সালে জব ওটল্যান্ডের রিড কলেজ থেকে গ্রাজুয়েশন শেষ করেছিলেন া এই সময় তিনি এত গরীব ছিলেন যে নিজের বন্ধুদের ঘরে মেঝেতে শুতে হত া তিনি খাবারের জন্য কুকের বোতল বিক্রি করে পয়সা জোগাড় করতেন এছাড়া পাশেই কৃষ্ণমন্দিরে যে ভোজনের আয়োজন হত তিনি সেটা গ্রহন করতেন কারণ সপ্তহে একদিন হলেও ভালো খাবার তিনি খেতে পারতেন া একসময় আসে যখন স্টীভ জবের কাছে পাঁচশো হাজার আরব ডলার সম্পত্তি হয় এবং তিনি আমেরিকার ১৩ তম ধনী ব্যাক্তিতে পরিণত হয়
জীবনে বেশির ভাগ লোক অসফলতা পেলে নিরাশ হয় কিন্তু জ্যাক মা নিজের অসফলতাতে হার মানেন না বরং হার থেকে শিক্ষা লাভ করেই সফলতার শিখর পর্যন্ত ছৌঁয় এই কাহিনী হল চীরে জন্ম গ্রহন করা জ্যাক মা’র া যিনি জীবনের বিভিন্ন অসফলতার মধ্যে সফলতাকে ছুঁয়ে এক নতুন ইতিহাস রচনা করেন া জ্যাক মা’র জীবন ছোট থেকে সংঘর্ষপূর্ণ ছির া যাকে তিনটি কোম্পানি চাকরি দেওয়া থেকে না করেছে শরীরে কমজোরী বলে যাকে পুলিশের চাকুরির উপোযুক্ত নয় বলা হয়েছে , KFC- তে চাকুরির জন্য ২৪ জনের মধ্যে ২৩ জনকে নিয়ে কেবল একমাত্র তাঁকেই বাদ দেওয়া হয় া এরকমই ব্যক্তি জ্যাক মা এক সময় তার কাছে চাকরি পাওয়া সবতেকে কঠিণ ব্যাপার ছিল কিন্তু একদিন জ্যাক মা সফলতাকে পায়ের তলায় রেখে পৃথিবীর অন্যতম ধনী ব্যক্তিতে পরিণত হয় া জীবনের প্রথমে তিনি ইংরাজী শেখার জন্য টুরিস্ট গাইডের কাজ করতেন এটা ঔ সময় ছিল যখন চীনে ইংরেজি শেখার জন্য কেউ এত উৎসুক ছিল না া ১৯৯৫ সালে জ্যাক মা নিজের বন্ধুদের সাথে USA চলে যান এবং সেখানে তাঁর বন্ধুরা তাঁকে প্রথম ইন্টারনেটের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয় া ১৯৯৯ সালে নিজের ১৭ জন বন্ধুর সাথে জ্যাক মা আলিবাবা (ALIBABA) শুরু করেন া আলিবাবা এখন ২৪০ এরও বেশি দেশে ৭৯ মিলিয়ন মানুষকে সুবিধা দিয়ে চলেছে া সেটি চীনের সবথেকে বড়ো E-COMORSITE া যেটির নামে একদিনে সবচেয়ে বেশি জিনিস বিক্রি করার রেকট আছে া

কোলেন হারল্যান্ড ডেভিড স্যান্ডরস
COLONEL HARLAND DAVID SANDERS
হারল্যান্ড সেনডারস একসময় এতটাই গরীব ছিলেন যে দু’বেলার দুটি রুটি পর্যন্ত জোগাড় করতে পারতেন না া তিনি যখন কেবল পাঁচ বছরের ছিলেন তখন তার বাবা মারা যান আর মা দ্বিতীয় বিয়া করে নেয় া সেন্ডারস দশ বছর বয়সে নিজের সদ্ বাবার উপদ্রপে ঘর ছেড়ে দেন এরপর তিনি অনেক বছর পর্যন্ত বেঘর ছিলেন া তিনি জীবনে বিভিন্ন কাজ করেন এবং জীবনে লম্বা সময় পর্যন্ত সমস্যা বয়ে নিয়ে চলে া কিন্তু তাঁর একটা গোপণ রেশিপি তাঁকে কে.এফ.সি-র মতো বড়ো কোম্পানির কো-ফাউন্ডারে পরিণত করে া তারপর তিনি পৃথিবীর সফল ব্যক্তিদের মধ্যে অন্যতম হয়ে ওঠেন া
নরেন্দ্র দামোদরদাশ মোদী
NARENDRA DAMODARDAS MODI
নরেন্দ্র মোদীর জীবনর শুরু হয় নিজের বাবার সঙ্গে রেলওয়ে স্টেশানে চা বিক্রি করে া আট বছর বয়সেই তিনি R.S.S - র শাখায় গিয়েছিলেন া সংঘের মুখ্যালয়ে ঝাড়ু লাগানো থেকে শুরু করে খাবার তৈরী করা পর্যন্ত তিনি নিজেই করতেন া ধীরে ধীরে তিনি মুখ্যালয়ের পুরো কাজ নিজেই করতে শুরু করেন া ১৯৮১ সালে সংঘ; নরেন্দ্র মোদীকে গুজরাতের প্রভার দিয়ে দেয় ওনার কাজ দেখে ওনাকে বি.জে.পি - তে কাজ করার জন্য আমন্ত্রণ করা হয় া এইভাবেই নরেন্দ্র মোদীর গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রীর পাড়ী শুরু হয় া তিনি রাজ্যের সবথেকে বেশি সময় মুখ্যমন্ত্রী থেকে রাজ্যকে সেবা করার রেকট করেন ্ নিজের কাজের মাধ্যমে তিনি গুজরাতকে এমন জায়গায় পৌঁছে দেন যে ভবিষ্যতে তিনি প্রধানমন্ত্রীর দরজায় এসে উপনিত হয় া
R.S.S থেকে B.J.P তারপর গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী এবং সেখান তেকে দেশের প্রধানমন্ত্রীর সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রমোদীকে যেসব কঠিন অবস্থার সমনাসামনি হতে হয়েছিল যে সেগুলি ভাবলে মনে হয় কীভাবে একজন সাধারন ব্যক্তি দেশের প্রধানমন্ত্রী হতে পারে

No comments:
Post a Comment