Friday, 17 February 2017

ইলেকট্রিক ছাড়াই এবার বাল্ব জ্বলতে পারে

পৃথিবীতে সুপারহিরোদের কাহিনী অনেক সময় শোনা যায় কিন্তু সেগুলি হয় ফিল্মে া এটা জেনে আপনি তাজ্জব হবেন যে পৃথিবীতে এমন কতকগুলি আছেন যারা আসল জীবনে সুপারহিরো া যারা জন্ম থেকেই এই সুপার ক্ষমতার অধিকারী যেটা বিজ্ঞানীরা এখনও পর্যন্ত বুঝতে পারেনি া

Image result for battery man
ব্যাটারিম্যান শ্লাভিসা প্যাচকে

শ্লাভিসা প্যাচকে ব্যাটারিম্যান এবং ইলেকট্রিসিটিম্যান নামেও পরিচিত া প্যাচকে নিজের শরীর দিয়ে হাই ভোল্টেজ কারেন্ট পাস করতে পারেন তাও নিজের কোনো অসুবিধা ছাড়াই া শুধু এটাই নয় ৬০ বছরের প্যাচকে নিজের শরীর দিয়ে বিজলিও উৎপন্ন করতে পারেন যার সাহায্যে লাইট বাল্ব জ্বালাতে পারবেন,খাবার তৈরী করতে পারবেন এছাড়া জলও গরম করতে পারবেন া প্যাচকে এই পর্যন্ত বহু রের্কড তৈরী করে ফেলেছেন যার মধ্যে তিনি নিজের শরীর দিয়ে কুড়ি হাজার ভোল্টেজের কারেন্ট পাস করেছেন া তাঁর ইচ্ছা তিনি এর থেকেও বড়ো রের্কড করতে চান যেটা হবে এক লক্ষ ভোল্টেজের কারেন্ট া


Image result for rathakrishnan velu
মি: টিথ রাধাকৃষ্ণন ভেলু

মালেশিয়ার রাধাকৃষ্ণন ভেলু তাঁর দাঁত তাকে সুপার হিরোর মর্যদা দিয়েছে া ভেলু নিজের দাঁত দিয়ে একটা ট্রেন টেনে নিয়ে যেতে পারে া গিনিস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড অনুযায়ী ভেলু ২০০৮ সালে ২৬০ টন ওজনের একটি ট্রেনকে ১৩ ফুট পর্যন্ত টেনে নিয়ে যায় নিজের দাঁত দিয়ে া


Image result for dean karnazes
ডিন করনাজিস

ডিন করনাজিস এমন ব্যক্তি যিনি না হাঁপিয়ে দৌঁড়ে যেতে পারেন া আমেরিকার ডিন কর্নাজিস ৫৩ বছর বয়সে না দাঁড়িয়ে আর না হাঁপিয়ে একটানা ৫৫০ কিলোমিটার দৌঁড়াতে পারে া ডিন বড়ো বড়ো ম্যারাথন খুব সহজেই পার করেছেন া তিনি ৫০ দিনে দেশের বিভিন্ন রাজ্যের ম্যারাথনে যোগদান করেছেন যার মধ্য একটি ছিল ৫৫০ কিলোমিটারের া ডিনের একটি অজানা অসুখ হল ডিনের শরীরে দুর্বল হওয়ার সব ক্রিয়াই আছে কিন্তু সেটা মাংসপেশীতে পৌঁছায় না; যার কারনে তিনি দুর্বল হয় না এবং মাংসপেশীতে খিচ ধরে না এবং তিনি দৌড়ে চলে া 


Image result for magnetiko man leo
ম্যাগনেটিক ম্যান লিও থলেন

মালেশিয়ার ৭০ বছরের লিও থলেন নিজের শরীর দিয়ে যেকোনো ম্যাগনেটিক অবজেক্ট - কে টেনে আনতে পারেন া হলিউডের একটি বিখ্যাত ছবি X-MEN ’র ম্যাগনেটোর চরিত্রটি এই মালেশিয়ার লিও থলেনের থেকেই নেওয়া 


Image result for magneto x-men days of future past

                    আরো ভালো ভালো রহস্যময় ঘটনা থেকে আমাদের FACEBOOK ’র পেজে JOIN করুন

Wednesday, 15 February 2017

জীবন যখনতখন বদলে যেতে পারে ইচ্ছা শক্তি থাকলে

এটা বিশ্বাস করতে মুশকিল হয় যে পৃথিবীতে এমন কিছু ব্যক্তি আছেন যারা একসময় দু’বেলা দুমুঠো খাবার জোগাড় করতে পারত না া যাদের মধ্যে অনেকে কেবল গরীবই ছিল না তাদের অনেকের থাকার জায়গা পর্যন্ত ছিল না া একসময় খাবার জোগাড় করার জন্য সংঘর্ষ করেছেন অ্যাপেলের কো-ফাউন্ডার স্টীভজব থেকে শুরু করে ছোট বেলায় চা-বেচা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রমোদী পর্যন্ত আমরা এমন সব সফল ব্যক্তি সম্ব্ন্ধে জানব যারা এক সময় খুবই গরীর ছিলেন

Image result for STEVE JOBS
স্টীভ জব ( STEVE JOBS )

কম্পিউটার ল্যাপটপ আর মোবাইল ফোন তৈরীর স্টীভ জব জীবনে সংঘর্ষ করে এই জায়গায় পৌছায় ক্যালির্ফোনিয়ার সানফ্লোরেন্সে জন্ম গ্রহণ করেন া তিনি ক্যালির্ফোনিয়াতেই পড়াশুনা করেন া সেই সময় তার কাছে তেমন পয়সা ছিল না া তাঁর এই অর্থিক দুর্দশা দূর করার জন্য তিনি গরমের ছুটিতে কাজ করতেন া ১৯৭২ সালে জব ওটল্যান্ডের রিড কলেজ থেকে গ্রাজুয়েশন শেষ করেছিলেন া এই সময় তিনি এত গরীব ছিলেন যে নিজের বন্ধুদের ঘরে মেঝেতে শুতে হত া তিনি খাবারের জন্য কুকের বোতল বিক্রি করে পয়সা জোগাড় করতেন এছাড়া পাশেই কৃষ্ণমন্দিরে যে ভোজনের আয়োজন হত তিনি সেটা গ্রহন করতেন কারণ সপ্তহে একদিন হলেও ভালো খাবার তিনি খেতে পারতেন া একসময় আসে যখন স্টীভ জবের কাছে পাঁচশো হাজার আরব ডলার সম্পত্তি হয় এবং তিনি আমেরিকার ১৩ তম ধনী ব্যাক্তিতে পরিণত হয়

Image result for jack ma quotes

জ্যাক মা (JACK MA)

জীবনে বেশির ভাগ লোক অসফলতা পেলে নিরাশ হয় কিন্তু জ্যাক মা নিজের অসফলতাতে হার মানেন না বরং হার থেকে শিক্ষা লাভ করেই সফলতার শিখর পর্যন্ত ছৌঁয় এই কাহিনী হল চীরে জন্ম গ্রহন করা জ্যাক মা’র া যিনি জীবনের বিভিন্ন অসফলতার মধ্যে সফলতাকে ছুঁয়ে এক নতুন ইতিহাস রচনা করেন া জ্যাক মা’র জীবন ছোট থেকে সংঘর্ষপূর্ণ ছির া যাকে তিনটি কোম্পানি চাকরি দেওয়া থেকে না করেছে শরীরে কমজোরী বলে যাকে পুলিশের চাকুরির উপোযুক্ত নয় বলা হয়েছে , KFC- তে চাকুরির জন্য ২৪ জনের মধ্যে ২৩ জনকে নিয়ে কেবল একমাত্র তাঁকেই বাদ দেওয়া হয় া এরকমই ব্যক্তি জ্যাক মা এক সময় তার কাছে চাকরি পাওয়া সবতেকে কঠিণ ব্যাপার ছিল কিন্তু একদিন জ্যাক মা সফলতাকে পায়ের তলায় রেখে পৃথিবীর অন্যতম ধনী ব্যক্তিতে পরিণত হয় া জীবনের প্রথমে তিনি ইংরাজী শেখার জন্য টুরিস্ট গাইডের কাজ করতেন এটা ঔ সময় ছিল যখন চীনে ইংরেজি শেখার জন্য কেউ এত উৎসুক ছিল না া ১৯৯৫ সালে জ্যাক মা নিজের বন্ধুদের সাথে USA চলে যান এবং সেখানে তাঁর বন্ধুরা তাঁকে প্রথম ইন্টারনেটের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয় া ১৯৯৯ সালে নিজের ১৭ জন বন্ধুর সাথে জ্যাক মা আলিবাবা (ALIBABA) শুরু করেন া আলিবাবা এখন ২৪০ এরও বেশি দেশে ৭৯ মিলিয়ন মানুষকে সুবিধা দিয়ে চলেছে া সেটি চীনের সবথেকে বড়ো E-COMORSITE া যেটির নামে একদিনে সবচেয়ে বেশি জিনিস বিক্রি করার রেকট আছে া                                                              
Related image
কোলেন হারল্যান্ড ডেভিড স্যান্ডরস
COLONEL HARLAND DAVID SANDERS
হারল্যান্ড সেনডারস একসময় এতটাই গরীব ছিলেন যে দু’বেলার দুটি রুটি পর্যন্ত জোগাড় করতে পারতেন না া তিনি যখন কেবল পাঁচ বছরের ছিলেন তখন তার বাবা মারা যান আর মা দ্বিতীয় বিয়া করে নেয় া সেন্ডারস দশ বছর বয়সে নিজের সদ্ বাবার উপদ্রপে ঘর ছেড়ে দেন এরপর তিনি অনেক বছর পর্যন্ত বেঘর ছিলেন া তিনি জীবনে বিভিন্ন কাজ করেন এবং জীবনে লম্বা সময় পর্যন্ত সমস্যা বয়ে নিয়ে চলে া কিন্তু তাঁর একটা গোপণ রেশিপি তাঁকে কে.এফ.সি-র মতো বড়ো কোম্পানির কো-ফাউন্ডারে পরিণত করে া তারপর তিনি পৃথিবীর সফল ব্যক্তিদের মধ্যে অন্যতম হয়ে ওঠেন া

Image result for NARENDRA DAMODARDAS MODI
নরেন্দ্র দামোদরদাশ মোদী 
NARENDRA DAMODARDAS MODI
নরেন্দ্র মোদীর জীবনর শুরু হয় নিজের বাবার সঙ্গে রেলওয়ে স্টেশানে চা বিক্রি করে া আট বছর বয়সেই তিনি R.S.S - র শাখায় গিয়েছিলেন া সংঘের মুখ্যালয়ে ঝাড়ু লাগানো থেকে শুরু করে খাবার তৈরী করা পর্যন্ত তিনি নিজেই করতেন া ধীরে ধীরে তিনি মুখ্যালয়ের পুরো কাজ নিজেই করতে শুরু করেন া ১৯৮১ সালে সংঘ; নরেন্দ্র মোদীকে গুজরাতের প্রভার দিয়ে দেয় ওনার কাজ দেখে ওনাকে বি.জে.পি - তে কাজ করার জন্য আমন্ত্রণ করা হয় া এইভাবেই নরেন্দ্র মোদীর গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রীর পাড়ী শুরু হয় া তিনি রাজ্যের সবথেকে বেশি সময় মুখ্যমন্ত্রী থেকে রাজ্যকে সেবা করার রেকট করেন ্ নিজের কাজের মাধ্যমে তিনি গুজরাতকে এমন জায়গায় পৌঁছে দেন যে ভবিষ্যতে তিনি প্রধানমন্ত্রীর দরজায় এসে উপনিত হয় া
R.S.S থেকে B.J.P  তারপর গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী এবং সেখান তেকে দেশের প্রধানমন্ত্রীর সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রমোদীকে যেসব কঠিন অবস্থার সমনাসামনি হতে হয়েছিল যে সেগুলি ভাবলে মনে হয় কীভাবে একজন সাধারন ব্যক্তি দেশের প্রধানমন্ত্রী হতে পারে


Sunday, 12 February 2017

মেগালোডন সার্ক রহস্য

দুনিয়ার রহস্যময় প্রাণীদের সম্বন্ধে আমরা প্রায়ই কোনো না কোনো কাহীনি শুনে থাকি া যেটা মানুষ সত্য না মিথ্যা প্রামান করার চেষ্টা চালায় া এই রকমই সমুদ্রে থাকা একটি জীব এক বিশাল সার্ক প্রজাতির প্রাণী া যার নাম মেগালোডন (MEGALODON)

Image result for megalodon

বলা হয় যে এই বিশাল দানব আজ থেকে প্রায় ছাব্বিশ লক্ষ বছর আগে সমুদ্রে থাকা সবথেকে বড়ো পরোভক্ষি প্রাণী, যেটা লম্বায় ছিল ৬০ ফিট কিন্তু কিছু বছন জাবত বলা হচ্ছে যে এই বিশাল সামুদ্রিক দানব (MEGALODON) আজও বেঁচে আছে া


Image result for megalodon


এই বিশালকায় প্রাণীর জীবাশ্ম থেকে প্রমান হয়েছে যে আজ থেকে ২৬ লক্ষ বছর আগে পাওয়া এই প্রাণী সমুদ্রে রাজ করত া এটি পরোভক্ষি প্রাণীদের মধ্যে সবথেকে উচ্চাকায় প্রাণী া এর ১৮ মিটার লম্বা আকার প্রমান করে যে এক সময় এটি সমুদ্রের সবথেকে ভয়ঙ্কর প্রাণী ছিল যাকে টক্কর দেওয়ার মত কোনো প্রাণী ছিল না া



নিজের ২ মিটার চওড়া, ৬০ ইঞ্চি লম্বা আর ২৭০ টি দাঁতের সাহায্যে বড়ো বড়ো সামুদ্রিক প্রাণীকে এক নিমেষে গিলে খেতে পারত া আজকের দিনে সবচেয়ে বড়ো গ্রেট হোয়াইট সার্কের তুলোনায় মেগালোডনের আকার পাঁচ গুণ বেশি হবে া


Image result for megalodon

এক্সপার্টরা বলছেন যে এই বিশালকায় দানব এখন পুরোপুরি লুপ্ত কিন্তু বিভিন্ন সামুদ্রিক ঘটনা থেকে প্রমান হয় যে এই বিশালকায় দানব আজও সমুদ্রের কোনো গভীরে লুকিয়ে আছে এবং মাঝে মাঝে ওঠে আসে া ১৮৭৫ সালে এইচ.এম,এস.জলঞ্জার জাহাজ এক সামুদ্রিক অভিযানে মেগালোডনের দুটি দাঁত পাওয়া গেছে সেগুলি ছিল মাত্র ১০ হাজার বছর আগের া


Image result for megalodon